সমুদ্রগুপ্তের কৃতিত্ব বর্ণনা করো? Burdwan university

0

সমুদ্রগুপ্তের কৃতিত্ব বর্ণনা করো? Burdwan University ( পুর্ণমান ১০ )





ভূমিকা :- অসামন্য প্রতিতা পরেন সমুদ্রগুপ্ত এক ক্ষুদ্র গুপ্ত রাজ্যেকে বৃহৎ সাম্রাজ্য রূপান্তরীত করেনা, শুধু তাই চায় সঙ্গ বিজিত অঞ্চলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষা দিক্ষা সংস্কৃতি শিল্প সব দিকের উন্নতি সাধন করেন যেমন-

 সুশাসন প্রতিষ্ঠা:- বৈদেশিক শাসন ও অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যর অস্তিত্বের ফলে ভারতের রাজনৈতিক ঐক্য যখন বিনষ্ট সেই সময় সমুদ্রগুপ্ত সামরিক বলের দাঁড়া ভারতের এক বিস্তীর্ণ স্থানে রাজনৈতিক ঐক্য স্থাপন করে

 রাজ্যর নিরাপত্তা বিধান:- সামরিক বলের মহে অন্ধ হয়ে তিনি দাক্ষিণাত্য বা শক, কুশান প্রভৃতি দূরবর্তী অঞ্চলের রাজ্যগুলিকে কুক্ষিগত করেননি বরং তাদের সুশাসনের অধিকার অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে তাদের কর উপঢৌকন ও আনুগত্য গ্রহণ করে করে নিজের রাজ্য নিরাপত্তা সুদৃঢ় করেন

 সুশাসন প্রতিষ্ঠা:- বিজিত অঞ্চলে সুষ্ঠ শাসন ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে তিনি দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন, শাসন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে, শাসন ব্যবস্থাকে বৈদেশিক প্রভাব মুক্ত করেন

 নানা প্রতিভার অধিকারী:- কেবলমাত্র যোদ্ধা বা সুশাসক নন, কবি, সঙ্গীতঙ্গ, শাস্ত্রজ্ঞ, পন্ডিত ও শিক্ষা সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন

 পরধর্ম সহিষ্ণুতা:- ব্রাহ্মণ্যধর্মের পৃষ্ঠপোষক হলেও তিনি পরধর্ম সহিষ্ণু ছিলেন| সিংহলরাজ মেঘবর্ণকে তিনি যুদ্ধ জয়ের নির্মাণের অনুমতি দেন| এবং বৌদ্ধ পন্ডিত বসু বন্ধুর পৃষ্ঠ পৃষ্ঠ ঘোষকথা করেন|

 মূল্যায়ন:- গুপ্ত যুগের বৈদিক ও জাগতিক সমৃদ্ধির যে চরম বিকাশ পরিলক্ষিত হয়| তার সূচনা হয় সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই এই সকল কারণেই ঐতিহাসিক গোকলে তাকে প্রাচীন ভারতীয় সুবর্ণ যুগের অগ্রদূত হিসেবে অভিহিত করেছেন |






-----------------------------------------

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !
To Top