রসময়ী রসিকতা গল্পে রসময়ীর চরিত্রটি আলোচনা করি?Burdwan University (পূর্ণমান5)
উওর:- প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়ের রসময়ী রসিকতা গল্পে কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসাবে রসময়ীকে উল্লেখ করতে হয়। রসময়ীকে আলোচ্য গল্পে প্রথম অংশে যেভাবে পাওয়া যায় তাতে বোঝা যায় রসময়ী ছিল খুব মুখরা। সে স্বামীকে বাক্যবানে জর্জরিত করে। তবু স্বামীর প্রতি প্রচ্ছন্ন প্রেমের প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। অর্থাৎ স্বামীর প্রতি তার টানও আছে যার জন্য দিঘদীপ বাপের বাড়ীতে অবস্থান করার সময় ক্ষেত্রমোহন তাকে অন্যান্য বারের মতো আনতে না গেলে তে চিন্তিত হয়ে পড়ে তার সবচেয়ে বড়ো পরিচয় সে রসিকা, যদিও ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে একমাত্র রৌদ্ররস প্রদ্ধান্য পেয়েছে কিন্তু ওই মূতির আড়ালে কাজ করেছে কৌতুকের রস ৷
শেষবার রসময়ী ঝগড়া করে তার বাড়ি বাপের বাড়ী হালি শহরে চলে যায়। দ্বিতীয়বার বিবাহ করার প্রস্তাবে নারী মনের শেষ আশ্রয় টুকুও অতলে চলে যাওয়ায় ভয় রসসমীর জানা ছিল ক্ষেত্রমোহনের আত্মীয়রা তার দ্বিতীয়বার বিবাহ দেওয়ার জন্য উদ্যগী হয়েছিল। রসময়ী তখন হয়ে ওঠে রণচণ্ডী ও বেপরোয়া তার জেদ বুদ্ধিমত্মা ও নারী সুলভ তার দিদি বিনোদিনিকে নিয়ে আসরে উপস্থিত হয়েছে। বসময়ী রসিকতা গল্পে রসময়ী যখন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু সজ্জায় শায়িতা রসময়ী ৷ সংবাদ পেয়ে ক্ষেত্রমোহন হালি শহরে গেলেন চিকিৎসার কোনো ত্রুটিও রাখলো না। অবশেষে রসময়ীর মৃত্যু হল। রসময়ী বিচক্ষণ তাই মৃত্যুর পরেও সে স্বামীর প্রকৃত অনুযায়ী কল্পনা জগতে সে আজও বেঁধে আছে৷

